রিকশা থামিয়ে ইভটিজিং করেন শিক্ষার্থীরা: এক নারীর অভিযোগ

0
948
রাজধানীতে একমাত্র বাহন এখন রিকশা। অথচ, সে রিকশা চলাচলেও বাধা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা,চলছে অবাধ ইভটিজিং। -ফাইল ফটো

ডেইলি২৪বিডি-

ঢাকাঃ নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাজধানীজুড়ে চলমান আন্দোলন যেন এক নৈরাজ্যে পরিণত হয়েছে। একদিকে শিক্ষার্থীরা বেপরোয়া হয়ে হামলা করছেন পুলিশ, সাংবাদিক, আওয়ামী লীগ অফিস এবং নেতাকর্মী সহ সাধারণ পথচারীর উপর সাথে কর্মজীবী মানুষদের পায়ে হেঁটে লম্বা দূরত্ব পাড়ি দিয়ে প্রতিদিনের কষ্ট তো আছেই। এরই মধ্যে ঘটছে পথচারী নারীদেরকে বিভিন্ন অশ্লীল বাক্য প্রয়োগ, ইভ-টিজিং সহ নানা রকম হেনস্থা।

এমনই এক ঘটনার বিবরণ দিয়ে ফেসবুকে ষ্ট্যাটাস দিয়েছেন এক নারী, যিনি নিজেও একজন শিক্ষার্থী বলে তার ষ্ট্যাটাসে উল্লেখ করেছেন। আজ দুপুরে প্রকাশ করা এক ফেসবুক ষ্ট্যাটাসে নাফিজা ইসলাম নামের এক শিক্ষার্থী তার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন। তিনি নিজেও একজন শিক্ষার্থী হয়ে অন্য শিক্ষার্থীদের দ্বারা হেনস্থা হওয়ার তার ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং ছাত্রসমাজের গুণগত মান নিচে নেমে যাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেন।

অভিযোগকারীর ফেইসবুক ষ্ট্যাটাস

তিনি তার ঘটনার বিবরণে লিখেন,”না লিখে পারছি না কিন্তু লিখতেও কষ্ট হচ্ছে।কারণ যাদের কে নিয়ে ঘটনাটা তারাও আমার মত ছাত্র। আমাদেরই ভাই/বন্ধু। আজ দুপুর পোনে একটার দিকে বাড্ডা থেকে রিকশায় করে রামপুরার দিকে যাচ্ছিলাম। রামপুরা ব্রীজে পৌঁছার আগে আন্দোলনরত কিছু শিক্ষার্থী পথ আগলে দেয় এবং রিকশা নিয়া আর সামনে যাওয়া যাবে না বলে আমাকে রিকশা থেকে নামাইয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। তখন আমি তাদের কে ভাইয়া বলে সম্বোধন করি এবং আমাকে রিকশা নিয়ে অন্তত রামপুরা ব্রীজ পর্যন্ত যেতে দিতে অনুরোধ করি। তখন পাশ থেকে কয়জন শিক্ষার্থী অশ্লীল বাক্য বলতে থাকল যার সব গুলো লিখার মত না। কিন্তু যখন ব্যাগ কাঁধে স্কুল ড্রেস পড়া একটি ছেলে বলে উঠলো”রিকশাওয়ালা নিয়ে যেতে হয় কেন আমাদের কে নিয়ে গেলে হয় না?”
রাগে ক্ষোভে আমার চোখে পানি চলে আসলো আর ভাবলাম কোথায় যাচ্ছে আমাদের এই ছাত্র সমাজ।
একজন নারীকে যারা এইসব বাজে ভাষা বলতে পারে তারা কিসের ছাত্র?
“জাতির কাছে বিচার চাই”

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here