দেশের গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতিতে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। সামিটের এলএনজি টার্মিনাল পুরোদমে চালু হওয়ার পাশাপাশি এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালও আংশিকভাবে চালু হয়েছে। এর ফলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ আগের তুলনায় বেড়েছে এবং সরবরাহ ঘাটতি কিছুটা কমার আশা করা হচ্ছে।
গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিভিন্ন খাতে চাপ তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে গ্যাসনির্ভর শিল্পে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদনেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। নতুন করে এলএনজি সরবরাহ বাড়ায় পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
তবে এক্সিলারেটের টার্মিনাল এখনো পুরো সক্ষমতায় চালু না হওয়ায় সরবরাহ পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়েছে কি না, তা নির্ভর করবে আগামী দিনের গ্যাস সরবরাহ ও চাহিদার ওপর। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, উভয় টার্মিনাল স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের চাপ আরও কমবে এবং শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হবে।
