৪ বলের ব্যবধানে ২ উইকেট শরীফুলের
বল হাতে দুর্দান্ত স্পেলে প্রতিপক্ষের ব্যাটিংয়ে বড় ধাক্কা দিয়েছেন বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলাম। মাত্র চার বলের ব্যবধানে দুই উইকেট তুলে নিয়ে তিনি ম্যাচের পরিস্থিতি বদলে দেন। তাঁর আক্রমণাত্মক বোলিংয়ে দ্রুত এগিয়ে যাওয়া প্রতিপক্ষের রান সংগ্রহের গতি থমকে যায়।
শরীফুলের এই স্পেলের শুরুটা ছিল জোড়া আঘাত দিয়ে। প্রথমে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক জশ ইংলিসকে ফিরিয়ে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ জুটি ভাঙেন। এরপর খুব অল্প সময়ের ব্যবধানেই ম্যাট রেনশকে বোল্ড করে সাজঘরে পাঠান বাঁহাতি এই পেসার। ফলে শুরুতেই দুই ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া।
ইংলিস আউট হওয়ার আগে ১২ বলে চারটি বাউন্ডারিতে ২১ রান করেন। তাঁর বিদায়ের পর ক্রিজে আসা রেনশ শরীফুলের পরের বলেই বোল্ড হন এবং কোনো রান না করেই ফিরে যান। মাত্র কয়েক বলের মধ্যে দুটি উইকেট হারানোয় অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ইনিংসে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়।
শরীফুলের বোলিংয়ের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক ছিল তাঁর নিয়ন্ত্রিত লাইন ও লেংথ। আক্রমণে আসার পর দ্রুত উইকেট তুলে নিয়ে তিনি বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরার সুযোগ তৈরি করে দেন। পরে তিনি আরও উইকেট শিকার করেন এবং ম্যাচে মোট ছয়টি উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের প্রধান অস্ত্র হয়ে ওঠেন। ৪৮ ওভারে ৪৮ রান দিয়ে ছয় উইকেট নেওয়া তাঁর বোলিং পরিসংখ্যানটি ছিল দুর্দান্ত।
শরীফুলের এই পারফরম্যান্স বাংলাদেশের পেস আক্রমণের কার্যকারিতাও তুলে ধরে। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দ্রুত উইকেট তুলে নিয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখাই তাঁর বোলিংয়ের বড় সাফল্য। যদিও শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত জয় পায়নি, শরীফুলের দুর্দান্ত বোলিং ম্যাচটিকে শেষ পর্যন্ত জমিয়ে রেখেছিল।
