চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রত্যাবর্তনটা স্মরণীয় করে রাখল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। দীর্ঘ বিরতির পর ইউরোপের সেরা ক্লাব প্রতিযোগিতায় ফিরে নিজেদের মাঠে আজারবাইজানের সাবাহকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে ইংলিশ জায়ান্টরা। ইউনাইটেডের হয়ে গোল করেন মাতেউস কুনহা, ব্রুনো ফার্নান্দেজ, বেনজামিন শেশকো ও লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। মাইকেল ক্যারিকের দলের জন্য এটি ছিল আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর মতো একটি পারফরম্যান্স।
অন্যদিকে বায়ার্ন মিউনিখও শুরু করেছে বড় জয় দিয়ে। নরওয়ের বোদো/গ্লিম্টকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে জার্মান ক্লাবটি। প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বায়ার্ন। জামাল মুসিয়ালা, হ্যারি কেইন ও আলফোনসো ডেভিসের পর শেষদিকে মাইকেল অলিসে জোড়া গোল করেন। এর মধ্য দিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের উদ্বোধনী ম্যাচে বায়ার্নের টানা ২৩তম জয় এসেছে।
তবে দিনের সবচেয়ে আলোচিত গল্পগুলোর একটি ছিল কোমোর অভিষেক। প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মূল পর্বে খেলতে নেমেই আরবি লাইপজিগকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে ইতালিয়ান ক্লাবটি। মার্তি বাতুরিনা, তাসোস দুভিকাস, আসানে দিয়াও ও ম্যাক্সিমো পেরোনে গোল করেন। মাত্র কয়েক বছর আগেও ইতালির চতুর্থ স্তরে থাকা কোমোর এমন জয় ইউরোপীয় ফুটবলে তাদের দ্রুত উত্থানের প্রতীক হয়ে উঠেছে।
একই রাতে ফেনেরবাহচে-রোমা ও পিএসভি-শাখতার ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র হয়েছে। সব মিলিয়ে নতুন চ্যাম্পিয়ন্স লিগ মৌসুমের প্রথম রাউন্ডে বড় দলগুলোর দাপটের পাশাপাশি কোমোর মতো নতুন মুখের উত্থানও ফুটবলপ্রেমীদের নজর কেড়েছে।
