দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে-স্কেল ২০২৬-এর প্রজ্ঞাপন প্রকাশের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংসহ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে এবং বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ে (বিজি প্রেস) প্রজ্ঞাপন ছাপার কাজ চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আজ শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুরের পর প্রজ্ঞাপন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ হতে পারে।
এর আগে গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভা জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুমোদন করে। নতুন কাঠামোয় বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রাখা হয়েছে। এতে ২০তম গ্রেডের সর্বনিম্ন প্রারম্ভিক মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং প্রথম গ্রেডের সর্বোচ্চ নির্ধারিত মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা করা হয়েছে। গ্রেডভেদে মূল বেতন বৃদ্ধির হার ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত।
নতুন বেতন কাঠামো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে পুরো কাঠামো একসঙ্গে বাস্তবায়ন না করে ধাপে ধাপে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ১ জুলাই ২০২৭-এর মধ্যে মূল বেতন তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে এবং বিভিন্ন ভাতা ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে একযোগে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।
সরকারের হিসাবে নতুন পে-স্কেলের আওতায় প্রায় ২৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি সব গ্রেডের কর্মচারীর জন্য মোবাইল ভাতা সম্প্রসারণ এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য মাসিক ৩ হাজার টাকা ভাতার সিদ্ধান্তও রয়েছে।
তবে প্রজ্ঞাপন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত বাস্তবায়নের বিস্তারিত শর্ত ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনাগুলো চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত হবে না। বর্তমানে মূল প্রত্যাশা, আজ দুপুরের পর নবম জাতীয় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয় কি না।
